ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৩ আগস্ট ২০২০, ২২ জিলহজ ১৪৪১

জাতীয়

পাটুরিয়ায় মধ্যরাতেও কমেনি যানবাহনের চাপ, দুর্ভোগে ঘরমুখো মানুষ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০১৩৪ ঘণ্টা, আগস্ট ১, ২০২০
পাটুরিয়ায় মধ্যরাতেও কমেনি যানবাহনের চাপ, দুর্ভোগে ঘরমুখো মানুষ

মানিকগঞ্জ: ঘড়ির কাঁটায় রাত একটা। গভীর রাত হলেও যাত্রীবাহী পরিবহন ও লঞ্চ পারের যাত্রীর চাপ কমেনি পাটুরিয়া ঘাট এলাকায়।

দুর্ভোগে রয়েছেন ঘরমুখো মানুষ। তবুও এসব মানুষের নেই কোনো ক্লান্তি।

নাড়ির টানে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে নৌপথ পার হতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটছেন পাটুরিয়া ঘাট এলাকায়। এতেই বাড়ছে যানবাহনের চাপ, কমেনি এখনও। রাত যতো গভীর হচ্ছে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় ততই বাড়ছে ঘরমুখো মানুষ ও যানবাহনের চাপ।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাত একটার দিকে পাটুরিয়া ঘাট পয়েন্টে এমন চিত্র দেখা যায়।

মাদারীপুরগামী গোল্ডেন লাইন পরিবহনের যাত্রী আরিফ বাংলানিউজকে বলেন, পাটুরিয়া ফেরি ঘাটের তিন কিলোমিটার আগে কয়েকঘণ্টা ধরে যানজটে আটকে আছি। কখন ফেরিতে উঠবো, আর কখন বাড়ি যাবো। স্বজনদের সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারবো কিনা শঙ্কায় রয়েছি।

পাটুরিয়া ঘাটের আরসিয়ালের মোড় এলাকায় প্রাইভেটকারের যাত্রী মৌসুমী বলেন, প্রায় ১২ ঘণ্টা ধরে ফেরি পারের জন্য বসে আছি। রাস্তায় প্রচণ্ড যানজট ছিলো। এক স্থানে চার ঘণ্টা অপেক্ষায় ছিলাম। একবার মনে হচ্ছিলো ঢাকায় ফিরে যাই। কিন্তু ঢাকায় ফিরতেও যানজট আছে। এখন ফেরি ঘাটের দিকে যাচ্ছি, দেখি ফেরির দেখা পাই কিনা।

নামপ্রকাশ না করার শর্তে এক পুলিশ সদস্য বলেন,পাটুরিয়া ফেরি পারের অপেক্ষায় ছোট-বড় মিলিয়ে হাজারের ওপরে যানবাহন অপেক্ষায় রয়েছে। মনে হচ্ছে সকালের আগে সব গাড়ি পার করতে পারবে না কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা সেক্টরের ডিজিএম জিল্লুর রহমান বলেন, আমার ধারণা ছিলো রাত ১০টার মধ্যে যানবাহনের চাপ কমে যাবে। কিন্তু এখনও যানবাহনের চাপ রয়েছে। আমরা আমাদের সাধ্য অনুযায়ী ১৬টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করছি।

বাংলাদেশ সময়: ০১২২ ঘণ্টা, আগস্ট ০১, ২০২০
ওএইচ/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa